1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
Title :
বাজার স্থিতিশীল রাখতে আরও আড়াই কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান সচলে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ঘিরে শেরেবাংলা নগরে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ হাম পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৪১১ বিএসইসিতে নতুন নেতৃত্ব: চেয়ারম্যান মাসুদ খান, কমিশনার পদে তিন নতুন মুখ রাষ্ট্র জনগণের, কেন্দ্রের নয়: মুহাম্মদ আজগর হোসেন জিহাদ অর্থনৈতিক সংস্কারে আইএমএফের কাছে নতুন সহায়তা চাইল বাংলাদেশ কুমিল্লা বুড়িচংয়ের আলোচিত তুহিন হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি চট্টগ্রামে গ্রেফতার মানবতার মুক্তি সাধনায় সর্বজনীন মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ঈদ পরবর্তী সভায় ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত বিশ্বকাপ ফুটবলের সব ম্যাচ লাইভ দেখা যাবে মাই রবি অ্যাপে

দাম কমেছে আমনের

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২, ৮.৪৩ পিএম
  • ২৪৫ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ যশোরের হাটগুলোতে আমন ধানের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম। কৃষকদের দাবি, বর্তমান দামে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম অবস্থা। আর আড়তদার ও মিলাররা ধান কিনছেন না বলে বাজারের এ দশা। তারাও কৃষকের মতো লোকসানে আছেন।

যশোরের অন্যতম বড় ধানের মোকাম বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা হাট। প্রতি রোববার ও বৃহস্পতিবার এ হাটে ধান কেনাবেচা করেন প্রান্তিক চাষিরা। আজকের হাটে ধানের আমদানি ছিল অনেক বেশি। ধান নিয়ে আসা কৃষকদের দাবি ধানের দাম নিম্নমুখী। গত হাটের থেকে প্রতি মণ ধান ৫০ থেকে ১০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

কৃষকদের দাবি এ বছর সার, ডিজেল কীটনাশকসহ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন সকল কিছুর দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তাছাড়া বৃষ্টি না হওয়ায় সেচের ওপর নির্ভর করে ফসল ফলাতে হয়েছে। তাছাড়া এবছর উৎপাদনও কম হয়েছে। শুরুতে ধানের দাম বাড়তি থাকলেও দিন দিন ধানের দাম কমে যাচ্ছে। ফলে খরচের টাকাই তুলতে পারছেন না কৃষক। এভাবে চলতে থাকলে ধান চাষ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

কৃষকরা বলছে, সার ও কীটনাশকসহ সব কিছুর দাম বেশি, আবার ধানের দাম কম। এমন করে হলে আমাদের জীবন কী করে টিকবে! প্রতিমণ ধান উৎপাদন খরচ ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকা। অথচ বাজারে ধান বিক্রি করতে এসে ধানের দাম পাচ্ছি ১১৫০ টাকা। আমাদের লোকসানের হিসেব মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

এদিকে আড়তদাররা জানিয়েছেন, মিলাররা ধান না কেনায় বাজার নিম্নমুখী। ফলে তারাও কৃষকের মতো লোকসানে রয়েছেন। মিল মালিকরা ধানের দাম নির্ধারণ করে দেয়, সে দামেই কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনতে হচ্ছে। এদিকে বাজারে প্রচুর ধান আসায় দাম কিছুটা পড়ে গেছে।

আড়ৎ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলামের দাবি, বড় বড় মিলারদের গোডাউনে প্রচুর চাল অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। এ অবস্থায় ধানের বাজার স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ করা প্রয়োজন।

আজ হাটে প্রতি মণ জিরা মিনিকেট ধান ১৫২০ টাকা, ৫১ ধান ১১৩০ টাকা, ৪৯ ধান ১২৫০ থেকে ১৩০০ টাকা, হাবুধান ১৫৪০ থেকে ১৫৮০ টাকা, স্বর্ণা ধান ১১২০ টাকা ও ক্ষীরকোন বা কাটারিভোগ ধান ১৮৫০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com