মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় অর্ধেকে, মুনাফায় ধাক্কার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে পুঁজিবাজারকে কেন্দ্র করে নতুন পরিকল্পনা আইএফআইসি ব্যাংক ও ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন-এর উদ্যোগে রমজান ক্যাম্পেইন ২০২৬ এর র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত এবি ব্যাংক পিএলসি. এবং আইরনম্যান কোম্পানি লিমিটেড-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুনে পুড়ে নিহত ৬ জন শ্রমিক পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)’র সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ অটোকারস লিমিটেড সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ স্টিল জ্বালানি সংকটে চরম বিপাকে মাছ ধরার ট্রলার ও জেলেরা : বজলুর রহমান বাবলু রাজধানীতে শ্রীলঙ্কা পর্যটনের বিশেষ মিডিয়া নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত

কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুনে পুড়ে নিহত ৬ জন শ্রমিক পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)’র

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৪ Time View

আজ ৬ এপ্রিল ২০২৬ সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমরেড এম এ সামাদ ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাহিদুর রহমান বলেন, কেরাণীগঞ্জে গ্যাস লাইট ফাক্টরিতে আগুনের ঘটনায় নিহত ৬ জন শ্রমিক পরিবারকে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, হতাহতদের সুচিকিৎসা ও যথাযথ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

এই  ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ও নিহত-আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে ‘বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় নেতৃদ্বয় বিবৃতিতে বলেন, “মালিকদের মুনাফা লিপ্সা ও রাষ্ট্রীয় তদারকি সংস্থাগুলোর অবহেলার কারণে বাংলাদেশের শ্রমজীবি মানুষের জীবন কতটুকু অনিরাপদ, কেরানীগঞ্জের কারখানার অগ্নিকান্ডে তা আবারও সামনে এলো। গ্যাস লাইটার কারখানাটির কোনো অনুমোদন ও আগুন নেভানোর কোনো ব্যবস্থাই ছিলো না। আগুন লাগার সময় কারখানাটিতে প্রধান ফটক তালাবদ্ধ থাকায় আটকে পড়ে আগুনে পুড়ে ও দম বন্ধ হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ফলে এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, এটা একটা কাঠামোগত হত্যাকান্ড। একই ধরণের অবহেলায় গত কয়েক বছরে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক মৃত্যু ঘটা সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় তদারকি সংস্থাগুলোর দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই। মালিকপক্ষের অতি মুনাফার লালসা ও চরম উদাসীনতা এবং রাষ্ট্রীয় তদারকি সংস্থাগুলোর দায়িত্বে অবহেলার কারণেই  এ ধরণের কাঠামোগত হত্যাকান্ড ঘটছে।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, এগুলো হত্যাকান্ড তাজরীন ফ্যাশন, হামীম, বিএম ডিপোসহ বিভিন্ন কারখানায় অগ্নিকান্ডের পর গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের প্রত্যেকটিতে কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ না থাকা, জরুরী বহির্গমন না থাকা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও যথাযথ তদারকি না থাকা ইত্যাদি কারণকে চিহ্নিত করে তা নিশ্চিত করাসহ বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু বিগত আওয়ামীলীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকার মালিকদের স্বার্থরক্ষায় সেসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করেনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গঠিত শ্রম সংস্কার কমিশন কর্মক্ষেত্রে শ্রমিক মৃত্যু বন্ধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ  করেছিলো। কিন্তু সে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি জোট সরকারও সে সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে কিনা,তা নিয়ে সঙ্গত কারণেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।কারখানায় শ্রমিক মৃত্যুর মিছিল বন্ধে শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন তাই আজ সময়ের দাবি আদায়ে জনগনকে সোচ্চার হতে হবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, অবিলম্বে কেরানীগঞ্জের শ্রমিক হত্যাকান্ডের যথাযথ তদন্ত করে দায়ী কারখানা মালিকসহ রাষ্ট্রীয় তদারকি সংস্থার অবহেলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের দাবি জানান। তিনি নিহত ও আহতদের পরিবারকে এক জীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ, আহত শ্রমিকদের রাষ্ট্রীয় খরচে সুচিকিৎসা এবং কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অবিলম্বে বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। দেশের সর্বহারা বন্চিত মানুষের এমন কৌশলে হত্যা বন্ধ করতে হবে।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS