1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
Title :
দারাজ বাংলাদেশে কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই দেশজুড়ে চালু হলো ফাস্ট ডেলিভারি ভুলতা, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে ট্রাস্ট ব্যাংকের ১২৬তম শাখার উদ্বোধন আইএফআইসি ব্যাংকের ঢাকা অঞ্চলের অর্ধ-বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক-এর ‘বার্ষিক ঝুঁকি সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত তিন শহরে নারীদের জন্য বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং সেবা দেবে সহজ; ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরে চালু হচ্ছে নারীদের জন্য বাস সার্ভিস টেকনো মেগাপ্যাড ২ এখন বাংলাদেশের বাজারে, বড় ডিসপ্লে, এআই ফিচার ও মাল্টি-ডিভাইস কানেক্টিভিটির উন্নত অভিজ্ঞতা নিয়ে এক চার্জে ৬০ ঘণ্টা পর্যন্ত কল করা যাবে রিয়েলমি সি১০০এক্স স্মার্টফোনে বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা করতে নতুন ঋণ কর্মসূচি বাংলাদেশ ব্যাংকের মশাখালীতে যমুনা এক্সপ্রেস আটকা, যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়দের অবস্থান হামের উপসর্গে সিলেটে প্রাণ গেল আরও দুই শিশুর

১৫ বছরে রাজনৈতিক পরিচয়ে পুলিশে ৮০-৯০ হাজার নিয়োগ: ডিএমপি কমিশনার

  • আপডেট : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১.২০ পিএম
  • ৭০ Time View

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, গত ১৫ বছরে পুলিশ বাহিনীতে ৮০ থেকে ৯০ হাজার সদস্যকে বিভিন্নভাবে পরিচয় (রাজনৈতিক) নিশ্চিতের পর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ এ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, গত ১৫ বছরে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগের আগে নানাভাবে যাচাই করা হয়েছে। নিয়োগ পার্থী কোন দলের, তার বাবা কোন দলের, দাদা কোন দলের এবং আরও পূর্বপুরুষ কোন দলের তা খবর নেওয়া হয়েছে। দুই লাখ পুলিশের মধ্যে ৮০ থেকে ৯০ হাজার পুলিশ সদস্য এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, এই ৮০ থেকে ৯০ হাজার পুলিশ সদস্যকে তো বলতে পারি না ‘গো হোম’ (বাসায় ফিরে যাও)। তবে যারা দুষ্টু, যারা পেশাদারত্বের বাইরে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

সাজ্জাত আলী আরও বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যখন পুলিশ ইনঅ্যাক্টিভ হয়ে পড়ে তখন ঢাকা শহরে ডাকাতি, লুটপাট শুরু হয়। তখন ৮০ বছরের বৃদ্ধও লাঠি নিয়ে পাহাড়া দিয়েছেন। তখন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ট্রমার মধ্যে পড়ে যায়। এরপর সদ্যবিদায়ী ডিএমপি কমিশনারসহ অন্যান্যরা পুলিশকে সক্রিয় করতে কাজ শুরু করেন।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরের প্রধান সমস্যা ট্রাফিক। এই শহরে বিপুল সংখ্যক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। অটোরিকশা যদি বন্ধ না হয় তাহলে ঢাকা শহরের ঘর থেকে বের হলে আর হাঁটার জায়গা থাকবে না। মানুষের মুভমেন্ট বন্ধ হয়ে যাবে।

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। ট্রাফিক আইন কেউ মানতে চান না। হকাররা ফুটপাত দখল করে নিয়েছেন। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কাজ শুরু করেছি। ট্রাফিক আইনে দ্বিগুণ হারে মামলা করা হচ্ছে। ঢাকাবাসীর সহযোগিতা ছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত হবে না।

ইদানিং ছিনতাইয়ের ঘটনা অহরহ হচ্ছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বিভিন্নভাবে আমাকে জানানো হয়েছে ছিনতাই বেড়েছে। ছিনতাই প্রতিরোধে ডিবি ও থানা পুলিশকে সক্রিয় করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চাঁদাবাজি হচ্ছে, কিন্তু সমাজ থেকে প্রতিরোধ করা না গেলে চাঁদাবাজি বন্ধ করা কঠিন। আপনারা কেউ চাঁদা দেবেন না। আমরা পুলিশ জনগণের পাশে থাকবো।

জুলাই-আগস্টের ঘটনায় পুলিশ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। অচিরেই ডিএমপিকে সচল করতে সক্ষম হবো।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com