সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
মা–বোনদের এনআইডি ও বিকাশ নম্বর চাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করলেন তারেক রহমান কুমিল্লা মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ আটক-১ আপিল খারিজ, নির্বাচন থেকে ছিটকে গেলেন বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী গাজীপুরে ছাত্রদল নেতার বাপের সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে মহিলা কে হত্যা শাসক নয় সেবক হতে চাই; ত্রিশালের স্বতন্ত্রপ্রার্থী মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত ময়মনসিংহে সেনা প্রধান পরিদর্শন মতবিনিময় সভা ও ত্রিশালে অলিম্পিক ভিলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৭২তম সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর- ৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মানবসভ্যতা এআইভিত্তিক জীবনযাপনের দিকে দ্রুত এগোচ্ছে রূপগঞ্জে ধানের শীর্ষ প্রতীকে ভোট চেয়ে ছাত্রদলের গণসংযোগ 

দ্রব্যমূল্য ও সিন্ডিকেট নিয়ে সংসদে সমালোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪
  • ১০৭ Time View

জাতীয় সংসদে ট্যারিফ কমিশনের এক বিল পাসের আলোচনায় বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে গরিব মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যকে সহজলভ্য করা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলেও তা করার ক্ষমতা তাদের নেই।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (সংশোধন) বিল–২০২৪’ পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্যরা এসব কথা বলেন। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

এ বিলে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সচিব পদের নাম পরিবর্তন করে আইন সংশোধন করা হয়েছে। বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম বিলটি পাসের জন্য সংসদে উপস্থাপন করেন। এরপর বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই, বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। নতুন এ আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সচিব পদের নাম হবে ‘পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)’।

বিলের ওপর সংশোধন আলোচনায় বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ হচ্ছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা। টিসিবি নামে একটা সংস্থা আছে যারা বাজারে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করে। উপজেলা পর্যায়ে দেখেছি, একটা কার্ড দেওয়া হয়েছে, যার জন্য পাঁচ-ছয়টা পণ্য কিনতে হবে। অনেক মানুষ এটা নিতে পারে না। যার যেটা প্রয়োজন নেই সেটাও টিসিবির কাছ থেকে নিতে হবে। এই হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ। এ আইনটি না এনে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার কোনো আইন নিয়ে আনতেন, সিন্ডিকেট ভাঙার মতো কোনো আইন নিয়ে আসতেন, তাহলে মনে করতাম বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভালো কোনো কাজ করছে। বিভিন্ন সময় তারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। যখন তারা বাজারে যান তখন বাজারটা ঠিক থাকে। কিন্তু তারা চলে এলে আবার যে অবস্থায় ছিল সেই অবস্থায় চলে যায়। দাম দ্বিগুণ বাড়ে।

তিনি বলেন, ওষুধের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। কোম্পানিগুলো কোটি কোটি টাকা লাভ করে কোথায় নিয়ে যাবে জানি না। ওষুধ কোম্পানিগুলো শুল্ক ফাঁকি দিয়ে, কম শুল্ক দিয়ে কাঁচামাল নিয়ে আসে। কিন্তু আমাদের দেশে ওষুধের দাম বেশি। ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করা গেলে মানুষ সুচিকিৎসা পেত। আইন করে ক্যানসারের ওষুধের দাম, কিডনি চিকিৎসা কমাবার কথা বলা হচ্ছে; এ কোম্পানিগুলো কি বাইরের? এরা কি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি? এরা আমাদের দেশি মালিক, এদের কি বিবেক নেই? কত শতাংশ লাভ করছে? এরা ১০০ শতাংশ লাভ করে! যারা দোকানে বিক্রি করে ৩০-৪০ শতাংশ কর দেয়। অনেক ওষুধের মধ্যে দাম লেখা থাকে না। সেজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করবো বাজার নিয়ন্ত্রণ করুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS