1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
Title :
উত্তরবঙ্গের কৃষি উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে এবি ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর আগামী দিনে কৃষিপণ্যই হবে দেশের প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য :কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আইসিবিতে কেক কাটা অনুষ্ঠান কুমিল্লায় একদিনে ৫৭ মাদকবিরোধী অভিযান, ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-৫০ ৭ সেপ্টেম্বর থেকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের মূল টাকা ফেরত ন্যাশনাল হাউজিংয়ের ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ ভালো কোম্পানি ও নতুন আইপিও টানতে লিস্টিং ফিতে বড় ছাড় ডিএসইর ম্যাডস্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’ উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গঠনে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও কমিউনিটি ব্যাংকের অংশগ্রহণ চুক্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪১ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন প্যাকেজে ট্রাস্ট ব্যাংকের অংশগ্রহণ

অল্প সময়ে গ্রাহকের সব পাওনা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি ইভ্যালির

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪, ১০.৩৫ পিএম
  • ২৭৪ Time View

কোনো ধরনের ব্যবসায়িক চাপ প্রয়োগ না করলে অল্প সময়েই গ্রাহকের সব পাওনা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ই-কামার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ই-কর্মাস ও ই-সেবা খাতে ভোক্তার অধিকার-আমাদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই প্রতিশ্রুত দেন। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

রাসেল বলেন, এখন ইভ্যালি যে পদ্ধতিতে পরিচালনা হচ্ছে এবং মুনাফা অর্জন করে যাচ্ছে; তাতে গ্রাহকের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে খুব বেশি দিন লাগবে না। এমনকি দেশে যত গ্রাহক আমাদের কাছে টাকা পান মুনাফা করেও তা দিতে সক্ষম হবো। এজন্য সবার সহযোগিতা দরকার।

তিনি বলেন, বর্তমানে ইভ্যালির ব্যবসা ক্যাশ অ্যান্ড ডেলিভারি পদ্ধতিতে পরিচালনা হচ্ছে। এখন গ্রাহক পণ্য পাওয়ার পর টাকা পরিশোধ করছে। যাদের পণ্য তাদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি চলে যাচ্ছে। সেখান থেকে সরকারের কর পরিশোধ করা হচ্ছে।

ইভ্যালির সিইও বলেন, বর্তমানে আমাদের কোনো পণ্য মুনাফা ছাড়া বিক্রি হয় না। ই-কর্মাস ব্যবসার নিয়ম হচ্ছে, বেশি বিক্রি হলে মুনফা কম হয়। তবে বিনিয়োগ ওঠে আসে। স্টোরে মাল পড়ে থাকে না।  ফলে পণ্যের মালিক আমাদের কাছে ৫ থেকে ৬ শতাংশ মুনাফায় তা ছেড়ে দেয়। অথচ খুচরা বাজারে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ মুনফা করতে পারতেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের পণ্য বেশি বিক্রি করা সুযোগ থাকে। তাই ৮-৯ শতাংশ মুনাফায় সেটা বেচতে পারি। ফলে বাজারে দীর্ঘদিন ও গোডাউনে পণ্য পড়ে না থাকলে আমরা কম মূল্যে পাই। আমরাও গ্রাহককে সস্তায় অফার দিতে পারি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com