ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: ভৈরবে সরকার নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রি করার অপরাধে গ্রীন ফার্মেসীর ৩ হাজার ৭শ ৪০ বক্স ঔষধ জব্দ করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ওইসব ঔষধ পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার বাজার মূল্য ১২ লাখ টাকা।
রোববার ( ৯ জুলাই) দুপুরে ভৈরব বাজারে ওই ফার্মেসীতে অভিযান চালায় ভ্র্যাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিচালনা করেন ভৈরব উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. ইকবাল হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন রাজু আকন্দ ও ভূমি অফিসে নাজির সালেক রহমানসহ দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ৬ জুলাই জেনিথফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের উৎপাদিত ন্যাপ্রোক্সেন প্লাস ৫০০+২০ ট্যাবলেটের রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। মান বহির্ভূত ঔষধ উৎপাদন ও বাজারজাত করায় সাময়িকভাবে এই ঔষধটি সংরক্ষণ ও বিপণন নিষিদ্ধ করা হয়। এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারী করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ।
অভিযানে পৌর শহরের ভৈরব বাজারের চন্দন পালের মালিকানাধীন গ্রীণ ফার্মেসী থেকে ১৭ কার্টুন সরকার নিষিদ্ধ ঔষধ জব্দ করা হয়। অভিযানে জব্দ হওয়া ১৭ কার্টুনে ৩ হাজার ৭৪০ বক্স ঔষধের ক্রয় মূল্য ৬৭ হাজার টাকা বলে জানান তিনি। তবে পাইকারি হিসেবে ১৯৫ টাকা দরে প্রতি বক্স ঔষধ বিক্রি করে আসছেন। সে হিসেবে ঔষধের বিক্রয় মূল্য ৭ লক্ষ ২৯ হাজার ৩শ টাকা। সব মিলিয়ে গ্রীণ ফার্মেসী থেকে সরকার নিষিদ্ধ প্রায় ১২ লক্ষ টাকার ঔষধ জব্দ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ঔষধ মানুষের জীবন রক্ষা করে আবার কিছু ভেজাল ঔষধ মানুষের জীবন ধ্বংস করে। তাই সরকার নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রি করায় একটি ফার্মেসীর ঔষধ জব্দ করে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন রাজু আকন্দ বলেন, সরকার নিষিদ্ধ ঔষধ, ভেজাল, নকল ও মেয়াদোর্ত্তীণ ভেজাল বিরোধী ঔষধ অপসারণে অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সামনে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply