শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রাতারাতি পেট্রোল ৪৩%, ডিজেল ৫৫% দাম বৃদ্ধি পাকিস্তানে দেশে হামের তীব্র প্রাদুর্ভাব, ১৯ দিনে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাবে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ছুটি বাতিল বীরগঞ্জ ক্লিনিকে সিজারে প্রসূতির মৃত্যু, কর্তৃপক্ষ পলাতক, ক্লিনিকটি সিলগালা ছাতক দোয়ারায় হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ শ্রীলঙ্কা ট্যুরিজম প্রমোশন ব্যুরোর উদ্যোগে ঢাকায় প্রথমবারের মতো মিডিয়া নেটওয়ার্কিং ও রোডশো ইউনূস সরকারের দায় শিক্ষার্থীরা এড়াতে পারে না : মোমিন মেহেদী মাধবপুরে মন্ত্রী আসবেন তাই জোড়াতালি দিয়ে রাস্তার সংস্কার চলছে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬০০ প্রতিষ্ঠান অডিটে নিচ্ছে এনবিআর ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা, এক লাফে ৩৮৭ টাকা বৃদ্ধি

ভাঙল ২০০ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০২৩
  • ২৫৮ Time View

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে ২০০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে এবারের তাপমাত্রা। রেকর্ড তাপে পুড়ছে পর্যটনের হটস্পট থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। পুড়ছে মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া ও লাওসও। উচ্চ তাপমাত্রা বৃদ্ধি দিন দিন অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাচ্ছে।

বুধবার সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এ অঞ্চলে গত ২০০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে এবারের তাপমাত্রা। পুড়ে কয়লা হয়ে যাচ্ছে মানুষ, পশু-পাখির প্রাণ।

থাইল্যান্ডের ইতিহাসে ১৫ এপ্রিল ছিল সবচেয়ে উষ্ণতম দিন। তাপমাত্রা ছিল ৪৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রতিবেশী দেশ লাওস মে মাসে টানা দুদিন ৪৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে শীর্ষে ছিল।

অপরদিকে, ১ জুন ভিয়েতনামের ইতিহাসেও রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা দাঁড়িয়েছিল ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা ভিয়েতনামের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম জুন দিনের রেকর্ড ভেঙেছে।

বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের (ডব্লিউডব্লিউএ) সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায়, এটি ২০০ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই এমন হচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

এপ্রিল ও মে মাস সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উষ্ণতম মাস। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের আগে এই দুমাসের তাপমাত্রা কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসে। কিন্তু এবারের তাপমাত্রা বৃদ্ধি যেন স্বস্তি নয়, নিয়ে এসেছে ভয়াবহ বিপর্যয়।

সিএনএনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, এপ্রিলের শুরু থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্ত তাপমাত্রা প্রতিদিন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি ছিল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশেই এমনটি ঘটেছে।

আর তীব্র গরমে হিট স্ট্রোক করে মারা যান অনেক মানুষ। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অনেকে। অনেক অঞ্চলে বাধ্য হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। অধিক তাপমাত্রায় রাস্তার ক্ষয়ক্ষতিসহ আগুনও ছড়িয়ে পড়ে অনেক অঞ্চলে।

জাতিসংঘের হিউম্যান ক্লাইমেট বলছে, তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আর্দ্র তাপ তরঙ্গও বেশি বেশি ঘটতে থাকে। নির্গমন একই হারে বাড়তে থাকলে, পরবর্তী দুই দশকে তাপজনিত কারণে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

অধিক তাপমাত্রা হিট স্ট্রোকের অন্যতম কারণ। উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা ও গর্ভবতী ব্যক্তিদের জন্য জীবন আরও হুমকির হতে পারে। তাপ তরঙ্গের তীব্রতা শুধু স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে না, পরিবেশ ও জীবিকাকেও হুমকির মুখে ফেলে দেয়। তাই তাপের তীব্রতা কমাতে সরকারি পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা অত্যাবশ্যক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS