1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
Title :
ডিজিটাল রূপান্তরের নতুন বাস্তবতা আলোচনার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড টেকনাফ হ্নীলার নাটমুড়া পাড়ার আইয়ুব- ১৭ হাজার ৭২৫ পিস ইয়াবাসহ হাটহাজারীতে আটক আবারও চট্টগ্রাম ভাসল; মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী জীবননগর উপজেলা আইসিটি অফিসারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত-১ স্বপ্নজয়ী সংগঠনের উদ্যোগে বিধবা বৃদ্ধ মা পেলেন ঘর মেম্বারদের অনাস্থা, চেয়ারম্যানের দাবি আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে! রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে -সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

আগামী সপ্তাহ থেকে চালু হতে যাচ্ছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’: গভর্নর

  • আপডেট : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৬.০৯ পিএম
  • ১৫৩ Time View

আগামী সপ্তাহ থেকে সমস্যাগ্রস্ত পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক চালু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক রেজ্যোলুশন অর্ডিন্যান্স পাঁচটি ব্যাংকে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে একীভূত করে একটি নতুন ব্যাংক গঠন হবে। “আমরা আশাবাদী আগামী সপ্তাহেই লঞ্চিং হয়ে যাবে। এতে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পেইড-আপ ক্যাপিটাল থাকবে। আমরা পাঁচ দুর্বল ব্যাংক নিয়ে একটি সবল ব্যাংক গঠন করতে যাচ্ছি। এতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে,” বলেন তিনি।

এ ছাড়া ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে খেলাপি ঋণের যে চিত্র, সেখান থেকে উত্তরণের জন্য ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সময় লাগবে বলেও উল্লেখ করেন গভর্নর।

তিনি বলেন, “খেলাপি ঋণ ব্যাংকিং খাতে অনেক বড় একটা সমস্যা। বর্তমানে ৩৫ সশতাংশ খেলাপি ঋণ। এটা কোনো ছোটখাটো সমস্যা নয়। এক-তৃতীয়াংশের বেশি খেলাপি ঋণ হয়েছে। এটা ধরে নিয়েই আমাকে ব্যাংক খাত চালাতে হবে। আর এ চিত্র থেকে উত্তরণের জন্য পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যাবে।”

দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে (এনবিএফআই) আইন মোতাবেক যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন গভর্নর। ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সব রকমের সাহায্য পাওয়া যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, “কোন কোন ব্যাংক ও এনবিএফআই খারাপের দিকে যাচ্ছে, তাদের সতর্ক করা হবে এবং পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হবে না, বিশেষ কারণেও হবে না। যখন দরকার হবে, তখন করা হবে। এটার জন্য আইন করা হয়েছে, আলাদা বিভাগ করা হয়েছে। তাছাড়া ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন করতে যাচ্ছি। এতে সরকার পুরোপুরিভাবে কমিটেড।”

গভর্নর আরও বলেন, “আগামী দিনে নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার আসবে, তারা এটা অনুধাবন করবে। যেহেতু আর্থিক খাতে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেটা মোকাবিলা করার জন্য যে প্রক্রিয়াগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেটাকেও তারা বিশ্লেষণ করে সমর্থন করবে এবং এ প্রক্রিয়াকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

তিনি বলেন, “বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডলার রয়েছে। আমি আগেও বলেছিলাম মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ডলার মার্কেটকে স্থিতিশীল করতে হবে। বর্তমানে ডলার মার্কেট স্থিতিশীল রয়েছে, বরং প্রয়োজনের চেয়ে বেশি স্ট্যাবল রয়েছে। কারণ আমি গভর্নর হিসাবে যখন যোগদান করি তখন ডলারের দর ছিল ১২০ টাকা, আর এখন ১২২ টাকা ৫০ পয়সা। কোনো রকমের ইন্টারভেনশন হচ্ছেও না, আর পুরোপুরি মার্কেট-বেজড অপারেশন হচ্ছে। তাই আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারব। কেউ যদি বলেন আমদানি করতে পারছেন না, তাহলে এটা ওনার সমস্যা। ব্যাংকে ডলারের কোনো অভাব নেই। আপনারা (ব্যবসায়ী) টাকা নিয়ে আসতে পারলে যেকোনো অ্যামাউন্টের এলসি খুলতে পারবেন। আর টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনাদের। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সকল রকমের মার্জিন তুলে দিয়েছে।”

গভর্নর আরও বলেন, “আগের রমজানে পণ্য আনার ক্ষেত্রে এক রকম চ্যালেঞ্জ ছিল। পর্যাপ্ত ডলার দিয়েই সরবরাহ ঠিক করা হয়েছিল। তবে আসন্ন রমজানে কোনো ধরণের শঙ্কা দেখছি না। কারণ রমজানে যেসব ভোগ্যপণ্য লাগে, তার প্রত্যেকটির এলসি খোলা আগেই হয়ে গেছে। পরিসংখ্যান দিয়ে বললে হবে না যে আমদানি কম। কারণ আমদানির বিপরীতে পাচার বন্ধ হয়েছে।”

গভর্নর বলেন, নীতিসুদ হারের সাথে মূল্যস্ফীতির গ্যাপ হওয়া উচিত আড়াই থেকে তিন শতাংশ পর্যন্ত। বর্তমানে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ মূল্যস্ফীতি। এটা এর চেয়ে কম কিংবা ৭ এর ঘরে নিয়ে আসলে নীতিসুদহার কমানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com