
নিজস্ব প্রতিনিধি: শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার, এই স্লোগানকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ নভেম্বর) বিকাল ৪ টায় চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা চিৎলা-রুইথনপুর স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে এই শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপত্বিত করেন চিৎলা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক ইন্তাদুল হক। বিএনপি-জামায়াত চক্রের দেশবিরোধি ষড়যন্ত্র, আগুন সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অপতৎপরতার প্রতিবাদে ও আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এই শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ আয়োজন করেন চিৎলা ইউনিয়ন আওয়ামী ও যুবলীগ লীগ।
সভার শুরুতে সভার শুরুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আবারও হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা আবারও যেন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হয়। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র ও তুলে ধরা হয় সভায়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও যেন জয়লাভ করে। নৌকাকে আবারও বিজয় করার লক্ষ্যে সভা উপস্থিত নেতা কর্মীদের সাথে আলোচনা করা হয়।
কর্মী সভায় ইউনুস আলী মাস্টারের সঞ্চয়লনায় সভার প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, এখন বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ রুপান্তর হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রেখেছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার। উন্নয়নের সরকার শেখ হাসিনার সরকার।
এখন বাংলাদেশে প্রতিটা সেক্টরে উন্নয়ন ঘটাছে। তাই আবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকাকে বিজয় করবো। এটাই থাকবে আমাদের ধারা। আমি দিলীপ কুমার আগরওয়ালা আগামী জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাশি। আমি যদি নৌকা প্রতিক পায়। সবাই কাধে কাধ মিলিয়ে নৌকাকে বিজয় করবো। এটাই থাকবে প্রত্যাশা। আজ বাংলাদেশ উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামী লীগের ভোট দিয়ে আবারও জয়যুক্ত করতে হবে। বাংলাদেশ এখন স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমাণে কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির স্বরযন্ত্র সফল হতে দেয়া হবে না। বিএনপির কর্মকান্ডে বিশ্ববাসী অতিষ্ঠ। স্মার্ট চুয়াডাঙ্গা গড়তে হলে আওয়ামী লীগের আবারও জয়যুক্ত করতে হবে। মানুষের কাছে দ্বারে দ্বারে যেয়ে সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরতে হবে। বিএনপিরা পালানো জায়গা পাবে না।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, আলমডাঙ্গা ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাওসার আহমেদ বাবলু, কুমারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, পদ্মবিলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহের বিশ্বাস, কালিদাস পুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনউদ্দীন পারভেজ, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন টাইগার, খাদিম পুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা আওয়ামী কৃষকলীগের সভাপতি গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার, ডাউকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম দিপু মাস্টার, খাসকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন মাস্টার, গাংনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান, চুয়াডাঙ্গা আওয়ামী যুবলীগের সদস্য তপন কুমার বিশ্বাস, আলমডাঙ্গা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল পারভেজ রাজু প্রমুখ।
এসময় সভাটি তত্ত্বাবধানে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান।
সম্পাদক: মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রকাশক: মোঃ শাহজাদা হোসাইন, নির্বাহী সম্পাদক : এম শহিদুল ইসলাম নয়ন
অফিস: ১৪/১৬ কাজলারপাড়, ভাঙ্গাপ্রেস, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২৩৬
@ Economicnews24 2025 | All Rights Reserved