
বিবিসি জানায়, রোববার (১ অক্টোবর) পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোর থেকে তাদের গ্র্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফাওয়াদ মুখতার জানিয়েছেন, তার নেতৃত্বাধীন একটি চক্র এখন পর্যন্ত মোট ৩২৮ রোগীর দেহ থেকে কিডনি চুরি করেছে। চুরি করা এসব কিডনি দেশের বিভিন্ন ধনি খরিদ্দারদের কাছে বিক্রি করা হতো । এসব কিডনির প্রতিটি বিক্রি হয়েছে ১ কোটি রুপি করে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, অসাধু এ চক্রটির কার্যক্রম ছিল পাঞ্জাব থেকে পাকিস্তান অধিকৃত আজাদ কাশ্মির পর্যন্ত। দীর্ঘদিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা করানো বা অস্ত্রোপচারের সামর্থ্য নেই এমন রোগীদের টার্গেট করত চক্রটি। তারপর নামমাত্র অর্থে অস্ত্রোপচারের লোভ দেখিয়ে এ রোগীদের নিয়ে আসা হতো।
লাহোর ও অন্যান্য শহরের বিভিন্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনকে ক্লিনিক আকারে সাজানো হতো। সেসব ‘ক্লিনিকে’ অস্ত্রোপচার করা হতো রোগীদের। ফাওয়াদ মুখতার নিজে এসব অপারেশন করতেন; আর এসব অপারেশনের সময় তার প্রধান সহকারী ছিলেন একজন মোটর মেকানিক। অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে এ পর্যন্ত তিন জন রোগী প্রাণ হারিয়েছেন।
রোববার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেন, ‘এই নিষ্ঠুর অসাধুচক্রের কার্যক্রমের বিবরণ শুনে আমাদের হৃদয় কেঁপে ওঠেছে। আমার জনা মতে, পাকিস্তানে এখনও এমন বেশ কয়েকটি অসাধু চক্র সক্রিয় আছে। তাদের মধ্যে একটি আজ ধরা পড়ল।’
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে মানবদেহের প্রত্যঙ্গ ব্যবসা নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান। এ অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও মোটা অঙ্কের জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
সম্পাদক: মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রকাশক: মোঃ শাহজাদা হোসাইন, নির্বাহী সম্পাদক : এম শহিদুল ইসলাম নয়ন
অফিস: ১৪/১৬ কাজলারপাড়, ভাঙ্গাপ্রেস, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২৩৬
@ Economicnews24 2026 | All Rights Reserved