
বাংলাদেশের রেলওয়ে উন্নয়নে আরো বিনিয়োগ করতে আগ্রহী চীন, এ মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি আরো বলেন, চীনের অর্থায়নে পদ্মা সেতুর পাশাপাশি পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্প হচ্ছে। বড় বড় স্থাপনা নির্মাণে চীনের বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
আজ বুধবার (৫ এপ্রিল) রেল ভবনে রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইয়াও ওয়েন। এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূত পাঁচ সদস্যের একটি দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাক্ষাতের বিস্তারিত জানিয়েছে রেলমন্ত্রীর দপ্তর।
রেলমন্ত্রী বলেন, চীন আমাদের অনেক বড় উন্নয়ন অংশীদার। চীনের অর্থায়নে বাংলাদেশ রেলওয়েতে এখন পদ্মা সেতু রেল সংযোগসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চলমান আছে।
নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থা ব্রডগেজ ও মিটার গেজ দ্বারা বিভক্ত। আমরা পুরোটাই ব্রডগেজে রূপান্তর করার চিন্তা করছি এবং সেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছি। এছাড়া প্রতিটি জেলায় রেল সংযোগ স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সিঙ্গেল লাইনকে আমরা ডুয়েলগেজ করছি।
চীন আমাদের অনেক প্রকল্পে সাহায্য করছে এবং ভবিষ্যতে এ সাহায্য অব্যাহত থাকবে বলে মন্ত্রী এ সময় আশা প্রকাশ করেন।
চীনের অর্থায়নে অপেক্ষমান নির্মাণাধীন আখাউড়া-সিলেট এবং জয়দেবপুর-জামালপুর ডাবল লাইন নির্মাণের লক্ষ্যে নেগোসিয়েশন দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে বৈঠকে তাগাদা দেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম হাই স্পিড লাইন নির্মাণ বিষয়ে আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে চলমান ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ কাজ চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যেন সম্পন্ন করে সেই লক্ষ্যে রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানানো হয়। কারণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উক্ত কাজ করতে আগ্রহী নয়।
আলোচনায় আরো উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক কামরুল আহসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সম্পাদক: মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রকাশক: মোঃ শাহজাদা হোসাইন, নির্বাহী সম্পাদক : এম শহিদুল ইসলাম নয়ন
অফিস: ১৪/১৬ কাজলারপাড়, ভাঙ্গাপ্রেস, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২৩৬
@ Economicnews24 2026 | All Rights Reserved