
উত্তর ক্রাইমিয়ার বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণের পর তিন হাজার মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গোলাবরুদ রাখার জায়গায় প্রথমে বিস্ফোরণ হয়। তারপর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে য়ায়। ট্রেন চলাচলে তার প্রভাব পড়ে। রুশ সেনারা জানিয়েছে, কেউ গুরুতর আহত হননি।
রাশিয়ার অধিকারে থাকা বিমানঘাঁটিতেও পরপর বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ধোঁয়ায় পুরো আকাশ ঢেকে যায়।
রুশ সরকারি সংবাদসংস্থা তাস জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মনে করছে, এটা পুরোপুরি অন্তর্ঘাতের ঘটনা। ইউক্রেনের প্রতি অনুগত সশস্ত্র গোষ্ঠী এই কাজ করেছে। ক্রাইমিয়ায় রাশিয়ার সেনা যাতে বিপাকে পড়ে সেজন্যই তারা একাজ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এই অঞ্চলে মস্কোর উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বিস্ফোরণে দুই জন আহত হয়েছেন। রেল চলাচল বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। কয়েক হাজার মানুষকে কাছের গ্রামে সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছিল। তবে তিনি বিস্ফোরণের কারণ জানাননি।
গত সপ্তাহের এই বিস্ফোরণে রাশিয়ার অনেকগুলি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল। মস্কো প্রথমে জানিয়েছিল, এটা দুর্ঘটনা। এখন তারা এটাকে অন্তর্ঘাত বলে স্বীকার করছে।
এই ঘটনার পর ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়। কিছু ট্রেন বাতিল করতে হয়। অনেক ট্রেন দেরিতে চলে। ফলে রাশিয়ার সেনা নিয়ে যাওয়ার কাজে বিঘ্ন হয়।
রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা খেরসনে ইউক্রেন সম্প্রতি লাগাতার আক্রমণ শানিয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার সেনার সাপ্লাই রুট বিঘ্নিত হয়েছে। ইউক্রেন সরকারিভাবে এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি। তবে বিস্ফোরণের পর ইউক্রেনের কর্মকর্তারা তাদের খুশিও গোপন করেননি।
সূত্র: ডিডাব্লিউ
সম্পাদক: মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রকাশক: মোঃ শাহজাদা হোসাইন, নির্বাহী সম্পাদক : এম শহিদুল ইসলাম নয়ন
অফিস: ১৪/১৬ কাজলারপাড়, ভাঙ্গাপ্রেস, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২৩৬
@ Economicnews24 2026 | All Rights Reserved