
বাদাম এমন একটি পুষ্টিকর খাবার যা শিশুর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।বাদামে রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও নানা ধরনের পুষ্টিগুণ যা শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে সাহায্য করে।
সব বাদামই পুষ্টিগুণে ভরপুর। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে দেওয়া যাবে না শিশুকে। ছয় মাস পার হলেই অল্প করে বাদাম দিতে পারেন। তবে খুব সামান্য দিয়ে দেখুন অ্যালার্জি বা হজমে সমস্যা হচ্ছে কিনা। যদি না হয় তবে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ান। বিভিন্ন রান্নায় বাদাম গুঁড়া বা পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।
১. কাজু বাদামে রয়েছে জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন। হজমেও সহায়ক এই বাদাম। গুঁড়া, পেস্ট অথবা বাটার বানিয়ে শিশুকে দিতে পারেন কাজু বাদাম। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হবে।
২. আমন্ডের বাদামি খোসা শিশুর জন্য ভীষণ উপকারী। সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালের নাস্তায় শিশুকে দিতে পারেন আমন্ড। ভিটামিন ই, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের চমৎকার উৎস আমন্ড। দুধের সঙ্গে আমন্ড গুঁড়া করেও দিতে পারেন শিশুকে।
৩. শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে সাহায্য করে আখরোট। আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক ও কপার মেলে এটি থেকে। এছাড়া ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার ও প্রোটিনের উৎস আখরোট। রাতে একটি আখরোট ভিজিয়ে রেখে পরদিন পরিজ অথবা হালুয়ার সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন শিশুকে।
৪. স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের আরেকটি চমৎকার উৎস চিনা বাদাম। কপার, জিঙ্ক, আয়রনের মতো উপাদানগুলোও পাওয়া যায় বাদামটি থেকে। পিনাট বাটার দিতে পারেন শিশুকে।
৫. পেস্তা বাদামে মেলে আয়রন, ভিটামিন কে, জিঙ্ক ও ফাইবার। শিশুর জন্য তৈরি পুডিং বা হালুয়াতে মিশিয়ে দিতে পারেন পেস্তা বাদাম।
তথ্য: টাইমস অব ইন্ডিয়া
সম্পাদক: মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রকাশক: মোঃ শাহজাদা হোসাইন, নির্বাহী সম্পাদক : এম শহিদুল ইসলাম নয়ন
অফিস: ১৪/১৬ কাজলারপাড়, ভাঙ্গাপ্রেস, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২৩৬
@ Economicnews24 2025 | All Rights Reserved