1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
Title :
গোপালগঞ্জ ইজিবাইক মোটর চালক ও বাজার সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় সভা দুর্গাপূজা ঘিরে দাউদকান্দিতে কর্মচঞ্চল প্রতিমা তৈরির কারখানা এক বছরের মধ্যে বদলে যাবে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার: আমির খসরু আইপিওর প্রস্তুতি, ১৮ অক্টোবর রোড শো করবে কনফিডেন্স পাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে ২-৩ বিদেশি কোম্পানির আইপিও ঘোষণা: বিএসইসি চেয়ারম্যান গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করায় যুবককে বেদম মারপিট কুমিল্লা দাউদকান্দিতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যসহ গ্রেপ্তার-৫ সৌদিতে গৃহকর্মীর কাজ করতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার রেহেনা খাতুন দেশে ফেরার আকুতি গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবে নতুন কমিটির বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মিষ্টিমুখ, এ কার্যক্রম থেকে বাদ মুলধারার সাংবাদিকরা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে আইটি কনসালটেন্টস

অভিযানে জব্দ দুই কোটি টাকার মালামাল এজাহারে হয়ে গেল তিন লাখ টাকা

  • আপডেট : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২.১১ পিএম
  • ১৫১ Time View

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নকল সিগারেট তৈরির একটি কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল জব্দের কথা জানানো হলেও থানায় করা মামলায় জব্দ করা মালামালের মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র তিন লাখ টাকা। একই অভিযানের জব্দের হিসাব ও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা মালামালের মধ্যে প্রায় এক কোটি ৯৭ লাখ টাকার পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামের হাবিব মাস্টারের গরুর খামারের ভেতরে থাকা একটি গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে দৌলতপুর থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, গোডাউন থেকে নামিদামি ব্র্যান্ডের প্রায় ২০ লাখ শলাকা নকল সিগারেট এবং সিগারেট তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা বলেও তখন জানানো হয়।

দৌলতপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এজাহারে জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে ২৫ হাজার শলাকা সিগারেট ও ২৫ বস্তা সিগারেট তৈরির তামাক। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় তিন লাখ টাকা।

অভিযানের সময় জব্দের কথা বলা প্রায় ২০ লাখ শলাকা সিগারেটের সঙ্গে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ২৫ হাজার শলাকার হিসাবেও বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। একইভাবে অভিযানে জব্দ করা সিগারেট তৈরির অন্যান্য সরঞ্জামের বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ‘পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই জব্দ করা মালামালের পরিমাণ ও আনুমানিক মূল্য জানানো হয়েছিল।’

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, কারখানায় নকল সিগারেট তৈরির যে মেশিন রয়েছে, শুধু সেটির দামই প্রায় দুই কোটি টাকার কাছাকাছি। মেশিনটি তালাবদ্ধ করে রাখা হলেও সেটি জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি। মেশিনটি বর্তমানে কার হেফাজতে রয়েছে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

গোডাউনের মালিক ও মামলার প্রধান আসামি হাবিব মাস্টার বলেন, জয়রামপুর এলাকার শাকিল ও বৈদ্যনাথতলা এলাকার লিওন হোসেন নামের দুই ব্যক্তির কাছে তিনি মাসিক ৪০ হাজার টাকায় গোডাউনটি ভাড়া দিয়েছিলেন। তার ভাষ্য, এর আগেও র‍্যাব ও কাস্টমসের অভিযানে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছিল। পরে সেটি আবার চালু করা হয়।

এর আগে গত ৯ মে র‍্যাব-১২ কুষ্টিয়া ও কাস্টমস বিভাগের যৌথ অভিযানে একই স্থানে অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে পাঁচটি নকল সিগারেট তৈরির মেশিন ও প্রায় এক লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করা হয়। পরে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিলগালা করার কিছুদিন পরই কারখানাটি আবার চালু করা হয়। একই স্থানে পুনরায় নকল সিগারেট উৎপাদনের অভিযোগ ওঠায় কারখানাটির কার্যক্রম ও আগের অভিযানের পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com