বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী মহাপুরুষ, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মজয়ন্তী আগামী ২৫ জানুয়ারি-২০২৬।
প্রতিবছর এই মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে কবির জন্মভিটা যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে কপোতাক্ষ নদের তীরে নামে লাখো মানুষের ঢল। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সপ্তাহব্যাপী ‘মধুমেলা’ পরিণত হয় দক্ষিণবঙ্গের সবথেকে বড় সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। তবে এ বছর উৎসবপ্রেমীদের জন্য মন খারাপের খবর হলো ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের কারণে সেই ঐতিহ্যবাহী মধুমেলা হচ্ছে না। উদযাপন সীমাবদ্ধ থাকছে মাত্র একদিনের সংক্ষিপ্ত কর্মসূচিতে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে এ বছর দীর্ঘমেয়াদী মেলার আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে এ বছর সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে মহাকবির স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে আগামী ২৫ জানুয়ারি-২০২৬ইং তাঁর ২০২তম জন্মবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় একদিনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে।
সাধারণত মধুমেলা উপলক্ষে সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ তীরে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। মেলার সেই চিরচেনা রূপ—গ্রামীণ কুটির শিল্প, বিচিত্র সব খাবারের দোকান, সার্কাস, নাগরদোলা আর যাদু প্রদর্শনীর পসরা এবার বসছে না। মধু মঞ্চে সপ্তাহজুড়ে দেশ-বিদেশের কবি, সাহিত্যিক ও গবেষকদের যে তাত্ত্বিক আলোচনা এবং রাতভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলত, তাও এবার সংকুচিত হয়ে আসছে।
মেলার আয়োজন না থাকায় সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হস্তশিল্পীরা। প্রতিবছর এই মেলাকে কেন্দ্র করে কোটি টাকার ব্যবসা হয়। মেলা না হওয়ার সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় অনেকেই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তকে মেনে নিচ্ছেন।
তবে মধু-ভক্ত ও স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীদের দাবি, আয়োজন সংক্ষিপ্ত হলেও যেন মহাকবির জীবন ও কর্মের ওপর যথাযথ গুরুত্বারোপ করা হয়। তাদের মতে, কবির স্মৃতিবিজড়িত এই দিনটিতে অন্তত একটি মানসম্মত আলোচনা সভা ও সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে মধুসূদনের সাহিত্যকর্ম তুলে ধরা জরুরি।
মধুমেলা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির চেতনার অংশ। ভক্তদের আশা, আগামী বছরগুলোতে সব বাধা পেরিয়ে আবারও তারুণ্যের জয়গানে মুখরিত হবে কপোতাক্ষের তীর, আবারও সাত দিন ধরে চলবে প্রাণের ‘মধুমেলা’।
এনামুল হাসান :বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী মহাপুরুষ, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মজয়ন্তী আগামী ২৫ জানুয়ারি-২০২৬।
প্রতিবছর এই মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে কবির জন্মভিটা যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে কপোতাক্ষ নদের তীরে নামে লাখো মানুষের ঢল। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সপ্তাহব্যাপী ‘মধুমেলা’ পরিণত হয় দক্ষিণবঙ্গের সবথেকে বড় সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। তবে এ বছর উৎসবপ্রেমীদের জন্য মন খারাপের খবর হলো ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের কারণে সেই ঐতিহ্যবাহী মধুমেলা হচ্ছে না। উদযাপন সীমাবদ্ধ থাকছে মাত্র একদিনের সংক্ষিপ্ত কর্মসূচিতে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে এ বছর দীর্ঘমেয়াদী মেলার আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে এ বছর সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে মহাকবির স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে আগামী ২৫ জানুয়ারি-২০২৬ইং তাঁর ২০২তম জন্মবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় একদিনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে।
সাধারণত মধুমেলা উপলক্ষে সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ তীরে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। মেলার সেই চিরচেনা রূপ—গ্রামীণ কুটির শিল্প, বিচিত্র সব খাবারের দোকান, সার্কাস, নাগরদোলা আর যাদু প্রদর্শনীর পসরা এবার বসছে না। মধু মঞ্চে সপ্তাহজুড়ে দেশ-বিদেশের কবি, সাহিত্যিক ও গবেষকদের যে তাত্ত্বিক আলোচনা এবং রাতভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলত, তাও এবার সংকুচিত হয়ে আসছে।
মেলার আয়োজন না থাকায় সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হস্তশিল্পীরা। প্রতিবছর এই মেলাকে কেন্দ্র করে কোটি টাকার ব্যবসা হয়। মেলা না হওয়ার সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় অনেকেই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তকে মেনে নিচ্ছেন।
তবে মধু-ভক্ত ও স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীদের দাবি, আয়োজন সংক্ষিপ্ত হলেও যেন মহাকবির জীবন ও কর্মের ওপর যথাযথ গুরুত্বারোপ করা হয়। তাদের মতে, কবির স্মৃতিবিজড়িত এই দিনটিতে অন্তত একটি মানসম্মত আলোচনা সভা ও সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে মধুসূদনের সাহিত্যকর্ম তুলে ধরা জরুরি।
মধুমেলা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির চেতনার অংশ। ভক্তদের আশা, আগামী বছরগুলোতে সব বাধা পেরিয়ে আবারও তারুণ্যের জয়গানে মুখরিত হবে কপোতাক্ষের তীর, আবারও সাত দিন ধরে চলবে প্রাণের ‘মধুমেলা’।
সম্পাদক: মোঃ শাহাব উদ্দিন, প্রকাশক: মোঃ শাহজাদা হোসাইন, নির্বাহী সম্পাদক : এম শহিদুল ইসলাম নয়ন
অফিস: ১৪/১৬ কাজলারপাড়, ভাঙ্গাপ্রেস, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২৩৬
@ Economicnews24 2025 | All Rights Reserved